I love gelatin print!!!


pixel skylines
let's talk about Bridgerton tea, my ask is open
Cosmic Funnies
"I'm Dorothy Gale from Kansas"
d e v o n
NASA
sheepfilms

Kiana Khansmith

@theartofmadeline
Cosimo Galluzzi

PR's Tumblrdome
🪼

Discoholic 🪩
occasionally subtle
Xuebing Du

shark vs the universe
$LAYYYTER
seen from Colombia
seen from Bangladesh
seen from Türkiye
seen from Poland

seen from Indonesia

seen from Peru

seen from United States

seen from Chile

seen from Finland
seen from United Kingdom

seen from Finland
seen from United States
seen from Finland
seen from Brazil
seen from Netherlands

seen from China

seen from Finland
seen from India
seen from United States

seen from Malaysia
@therewasabrowncrow
I love gelatin print!!!

Anya is live and ready to show you everything. Watch her strip, dance, and perform exclusive shows just for you. Interact in real-time and make your fantasies come true.
Free to watch • No registration required • HD streaming
Two illustration projects I really love:
Lu Danling's art that draws inspiration from Silk Road Internationalism and Hobart Phillips' Vekllei abut an imaginary West Atlantic Commonwealth society
Both are unapologetically women centric
Protest Map, tagged this to a children's book I made ages ago. Inspired by this zine:
HONG KONG PROTEST TACTICS & ROLES
link: https://www.sproutdistro.com/catalog/zines/direct-action/hong-kong-tactics/
"Be water, not castle!"
শহরের এক প্রান্তে মাঠের পারে নদীর ধারে ঘাসের সবুজ মখমল মোড়া একটা বিজন স্থান তারা আবিষ্কার করেছিল, রোজ বিকেলে সেইখানটিতে দুজনে গিয়ে বসত, সন্ধ্যা না হওয়া পর্যন্ত, বোর্ডিংএ ছেলেদের নাম-ডাকার সময় না হওয়া পর্যন্ত গায়ে গায়ে ঠেস দিয়ে মাথায় মাথায় ঠেকিয়ে হাতে হাতে ধরে কত কি গল্প তারা করত।
ছেলে বয়সে (1926)
They had discovered a spot at the edge of the city. It was an expanse of silky green grass and overlooked the river. They went and sat there every afternoon, till sundown, till the time of the roll-call at the hostel.
Boyhood (1926)
Two Bengali revolutionaries running along train tracks
Made with carrot and corriander harvest I grew this summer

Anya is live and ready to show you everything. Watch her strip, dance, and perform exclusive shows just for you. Interact in real-time and make your fantasies come true.
Free to watch • No registration required • HD streaming
“আমার তো আর এখানে থাকা চলে না। বাড়ি না গেলে মাসিমা সেজদারা ভেবে অস্থির হবেন যে। কি করি বল, আমাকে একটা ছাতা দাও, এই বৃষ্টিতেই বেরুতে হবে।”
“তোমার বাড়ির কথাই ত বলতে এসেছি। আমি লোক পাঠিয়েছিলুম এই বলে যে ভাবনার কিছু নেই, অশান্ত আমাদের বাড়িতে আছে। তাকে বিয়ের উৎসবে নিমন্ত্রণ করেছি, আজকের এই বাদলায় তো পাঠানো চলে না, কাল সকালে দিয়ে আসব। তোমার মাসিমা আর সেজদা খুশিমনে রাজি হয়েছেন।”
ছেলে বয়সে (1926) লেখক: শিবরাম চক্রবর্তী
-
‘I don’t think I should stay here anymore. Folks at home would be worried sick. What am I to do? Lend me an umbrella. I have to brave this rain.’
‘I have come precisely to tell you something about your home. I had sent word to them that Ashanto is with me and there’s nothing to worry about, that I have invited him to the wedding festivities, and it’s not right to send someone back in this rain. So, I will drop him off tomorrow morning. Your aunt and your brother happily agreed.’
Boyhood (1926) Shibram Chakraborty
"সুভদ্রাহরণ"
-ছেলে বয়সে (1926)
(tw: SA)
কয়দিন সুযোগমত তারেশকে না পেয়ে অবশেষে একদিন বিকেলে পথে তাকে পাকড়াও করল, “একি তারেশ যে! কোথায় চলেচে?”
তারেশ মৃদু হেসে বললে, “সুভদ্র হরণে বেরিয়েচি।”
“তার মানে?”
“সুভদ্রাহরণ ত পুরনো ব্যাপার পুরাণে পড়েচ। এটা নতুন কিছু।”
এই সুভদ্রাহরণ-ব্যাপারটা একটু খুলে বলা দরকার। সব শহরেই ছেলেশিকারীদের একাধিক দল থাকে। একটি বা দুটি রাঙা ছেলেকে কেন্দ্র করে তার উপাসকদের একটি দল গড়ে ওঠে, রাঙা ছেলেটি হয় সেই দলেরই মক্ষিরাণী। অন্যদলের বা বাইরের কোন ছেলের তার সঙ্গে ভাব করবার কোনো দাবি থাকে না, তার রক্ষণ ও ভক্ষণ করবার কেবল তার দলের ছেলেদেরই একমাত্র অধিকার। এক দলের রাঙা ছেলেকে যদি অন্যদলের চোখে ধরে তাহলে তখন কুরুক্ষেত্রের মত দলাদলি বেধে যায়, মারামারি লাঠালাঠি করে অপর দলকে হঠিয়ে তাদের রাঙা ছেলেটিকে ছোঁ মেরে লুঠে আনতে হয়। বীর ভোগ্যা বসুন্ধরা, যে দলের জোর বেশি তারা জেতে, ছেলেটি সেই দলেরই পাত্র হয়ে পড়ে—এই নিয়ম। তখন থেকে সে তাদের সঙ্গেই মেশে, খেলা করে, বেড়ায়, আড্ডা দেয়, আগের দলের বন্ধুদের কথা তার মনেও থাকে না।
এই রকম একটি শিকারের অভিযানে তারেশ বেরিয়েছিল। তার দলবল আগেই চলে গেছে।
সতীশ কহিল, “এই রকম ছেলের পিছু পিছু ঘুরতে তোমার ভালো লাগে? এই সব কাণ্ডে কোনদিন তুমি প্রাণ হারাবে।”
তারেশ, কিছু না বলে গুন্ গুন্ করে গাইল,—
“বালক বীরের বেশে তুমি করলে বিশ্ব জয়;
এ কি গো বিস্ময়!
অস্ত্র তোমার গোপন রাখ কোন্ তুণে।”
“দ্যাখো সতীশ, কাল এই ছেলেটিকে বাগাতে গিয়ে কি বিপদে পড়েছিলুম,—কেবল সমুদ্র মন্থন করাই সার হলো, লক্ষ্মী লাভ হলোনা।”
তারেশ তার হাতের পাট খুলে আঙুলের মূলের দগ্দগে ক্ষতচিহ্ন দেখাল, “এই দেখ।”
সতীশ চমকে বললে, “একি!”
তারেশ হেসে বললে, “স্বর্গ দখলের চেষ্টা করার এটা উপসর্গ। কাল তাদের দলের ছেলেদের সঙ্গে আমাদের লড়াই যখন খুব জমে উঠেছে, তারা হেরে যায় আর কি—আমি ছেলেটির হাত ধরে টেনে নিয়ে চলেছি, এমন সময়ে ওদের এক ব্যাটা কোথা থেকে এক গাদা বন্দুক নিয়ে এসে হাজির, আমার ওপর গুলি চালাবে। বন্দুক দেখে আমাদের দলের যত বীরপুরুষ আমাকে ফেলে চম্পট দিল, আমি একা গিয়ে সেই বন্দুক চেপে ধরলুম। গুলিটা কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে গেল, বন্দুক ছাড়াতে না পেরে হতভাগাটা পকেট থেকে ছুরি বের করে হাতে বসিয়ে দিয়েছে। এ হচ্ছে সেই।”
তারেশ বললে, “নেহাৎ মন্দ লাভ হয় নি। হাত দিয়ে ঝর ঝর করে রক্ত পড়চে, তখন সেই রাঙা ছেলেটিই নিজের কাপড় ছিঁড়ে হাত বেঁধে দিল,—এটুকু বড় কম লাভ নয়।” ক্ষত-আবরণের ওপর চুমু দিয়ে তারেশ বললে, “আমার মনে হয় ছেলেটি আমাকে ভালোবেসেছে, টানের জোর যাবে কোথায়?”
.
.
তারেশ বলল, “তুমি মিছে রাগ করচ ভাই! ভেবে দেখ আমার বড় দোষ নেই;—তোমাদের সমাজ মেয়েদের পিঁজরের ভেতরে বন্দী করে রেখেচে, তাদের পাচ্ছিনে, তাইত তাদের ভাইদের ভালোবেসে এই Noble Revenge নিচ্চি।”
কিন্তু বিপ্লবপন্থী যা ঠিক করে, পুলিশে তা ভেঙে দেয় ––এই সনাতন কাহিনী |
-ছেলে বয়সে (1926)
What the revolutionary builds, the police tear down-- This Sanatan* story
Boyhood (1926)
--
*eternal
ছেলে বয়সে (1926)
লেখক: শিবরাম চক্রবর্তী
(সম্ভবত বাঙলায় সমকামিতা নিয়ে লেখা প্রথম উপন্যাস)
প্রথম যৌবন আর এক বিচিত্র কাল। এই বয়সে সুন্দরের পূজা, সৌন্দর্যের স্বপ্নই সমস্ত মন জুড়ে থাকে। চোখে যাকে দেখতে ভালো লাগে, তাকেই একান্ত করে ভালোবাসতে চায়। এই বয়সে সহজেই পরাজয় মানে, তাই জয় করাও এই বয়সে সবচেয়ে সহজ। সহজেই আকৃষ্ট হয়, তাই সহজেই আকর্ষণ করে। এই বয়স হচ্ছে দেবেনের।
অশান্তকে নিয়ে দেবেন চারিদিকে ঘুরে বেড়াতে লাগল, তাকে এঘর ওঘর সবঘর একে একে দেখাল। বাড়ির লোকজন ও মা-রা সবাই ব্যস্ত তাই কারু সঙ্গে তার পরিচয় করিয়ে দিতে পারল না। তবু, বাইরের লোকজন যে-ই অশান্তকে দেখে প্রশ্ন করেছে, এটি কে? দেবেন তাকেই তৎক্ষণাৎ উত্তর দিয়েছে, আমার ভাই।
সকলের খাওয়া দাওয়া হতে বেশ একটু রাত হবে জেনে সে অশান্তকে নিয়ে ভেতরে গেল, –এসো তোমাকে খাইয়ে দিই। বড্ড রাত হয়ে যাচ্চে।
“আমি একলা খাবনা, তোমাকেও সঙ্গে খেতে হবে।”
“বেশ, আমিও খাব। কিন্তু খেয়ে দেয়ে তুমি একলাটি আমার বিছানায় শুয়ে থাকতে পারবে ত? আমি শীঘ্রি শুতে আসবো। দাদারা সব কাজ করচেন, আমাকে না দেখতে পেলে রাগ করবেন।”
“আমি কিন্তু বেশিক্ষণ একলা শুয়ে থাকতে পারব না।”
“আচ্ছা সে হবে। যদি ঘুমিয়ে পড়ো, তা হলে ত আর কথা নেই?”
তারা খেয়ে নিল, তারপরে অশান্তকে শুইয়ে, তার গায়ে লেপ ঠিকঠাক করে দিয়ে দেবেন বল্লে, এবার আমি যাই ভাইটি?
“একটু বসো দেবেনদা।”
একটুক্ষণ মাথায় হাত বুলিয়ে দিতেই চোখ বুজে এসেছে দেখে ঘুমিয়েছে মনে করে দেবেন উঠে দাঁড়ালো, অশান্তর শুভ্র কপালে একটা চুমু দিয়ে আস্তে আস্তে চলে গেল। অশান্ত কিন্তু ঘুমায় নি, এই অভাবিত আদরে তার সারা দেহ মন কেমন করে উঠল, তার চোখের ঘুম পালিয়ে গেল, সে কত কি ভাবতে লাগল।
সহসা তার মনে একটা হারানো স্মৃতির ছবি ভেসে উঠল—–—একটি ছেলের কথা। তখন তার বয়স দশ। একবার মাসিমার সঙ্গে নেমন্তন্ন খেতে গিয়ে সেই সমবয়সী ছেলেটির সঙ্গে ভাব হয়েছিল। তার সঙ্গে কথাবার্তা বিশেষ কিছু হয়নি, আলাপও বেশিদূর গড়ায়নি, শুধু মনে পড়ে যে ছেলেটি তারপর থেকে সোজারাস্তায় না গিয়ে একটু ঘুরে তাদের রাস্তা দিয়ে স্কুলে যেতো; আর সে প্রতিদিন দশটার সময় বাড়ির দরজায় তার প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতো। চোখোচোখি হলেই দুজনে হাসি দিয়ে দুজনকে খুশি করত এবং কোনোদিন পাঁচ, কোনোদিন দুই, কোনোদিন পনের মিনিট তাদের গল্প চলত, দরজার পাশের ইঁটেগাঁথা সিমেন্ট বাঁধানো বেঞ্চিতে বসে।
তারপর একদিন থেকে সে আর এলো না, রোজ যথাসময়ে প্রতীক্ষা করে যখন দেখা মিলত না, তখন অশান্তর সমস্ত মন অশ্রুময় হয়ে যেতো, কখনো কখনো সেই বাষ্প তার দুই চোখে ভারি হয়ে আসত, দূরের পথের বাঁক চোখের ওপর ঝাপসা হয়ে উঠত, সে বিছানায় গিয়ে, চুপ করে শুয়ে থাকতো। সেই ছেলেটির-বিরহের ভুলে-যাওয়া বেদনা আজ নতুন করে তার মনে জাগল। তার কথা, আজকের বায়োস্কোপে দেখা ছেলেটির কথা, দেবেনদার কথা—এই সব অশান্তর মনে তোলপাড় করতে লাগল। বিশেষ করে এই কটি দিনে তার জীবনে, বায়োস্কোপের মত, এ কি আশ্চর্য ঘটনা সব ঘটতে শুরু হয়েচে–তাই ভাবতে লাগল।
একঘণ্টা পরে দেবেন ফিরে এসে বিছানায় আশ্রয় নিল। শয্যা পার্শ্বের বাতিটা তখনো জ্বলছিল, সেই আলোতে ছেলেটির কচি মুখখানি ভালো করে দেখে নিল; দেখে দেখে চোখ যেন ভরে না। হাত বাড়িয়ে বাতিটা কিছু কমিয়ে দিয়ে, তারপর অতি আস্তে ছেলেটির নরম গালে একটি চুমু দিল।
অশান্ত বল্লে, তোমার ফিরতে বড্ড দেরি হয়েছে দেবেনদা।
দেবেন চকিত হয়ে বল্লে, এ কি, এখনো তুমি জেগে আছো?
“ঘুম আসচে না যে। তুমি গপ্প বল।”
“এত রাত্রে গল্প? আমি মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছি, ঘুমোও।”
“ঘুম আসবে না। চোখ জ্বালা করচে!”
“আচ্ছা, আমি চোখের জ্বালা সারিয়ে দিচ্চি।” দেবেন চোখ দুটিতে আদর করে চুমু দিল, বল্ল, এইবার নিশ্চয় ঘুম আসবে।
অশান্ত বাহু দিয়ে তার গলা জড়িয়ে ধরল, দেবেন তাকে আরও বুকের কাছে টেনে আনল, বুকের মধ্যে, মুখের মধ্যে, সারা অঙ্গের মধ্যে একটা অননুভূত-পূর্ব আনন্দের আস্বাদে তন্ময় হয়ে, বৃষ্টির ঝরঝরানি সুরের মধ্যে পৌষমাসের একটি রজনী তারা প্রভাত করলে।

Anya is live and ready to show you everything. Watch her strip, dance, and perform exclusive shows just for you. Interact in real-time and make your fantasies come true.
Free to watch • No registration required • HD streaming
Joseph Plateau — Phenakistoscope art (1887)
I hope the interest of the Cockroach will feed into the wider interests fighting this repressive regime. In solidarity with pollinators!
Adding graphics to my botanicals
Some Protest Safety Graphics I have saved.
Remember the police are not your friends!
Nature Print of my summer plot at the Foxhill Community Garden
Wild to think that the camera likely originated as a bookmark:

Anya is live and ready to show you everything. Watch her strip, dance, and perform exclusive shows just for you. Interact in real-time and make your fantasies come true.
Free to watch • No registration required • HD streaming
Layout and draft
Siyavar studies from Gandhara period, Gorrilaz, Chinese apsara paintings